খালেদা জিয়া অংকে ভুল করেছেন- লন্ডনে নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহাজাহান খান এমপি

shahajahan 3ব্রিকলেন রিপোর্টঃ সূত্র ছাড়া যেমন বীজগণিতের অংক মিলানো যায় না, তেমনি রাজনীতির সূত্র না জানলে ও রাজনীতির হিসাব মিলানো যায় না। খালেদাজিয়া সেই সূত্র জানেন না বলেই পরাজিত হয়ে রাজনীতির মাঠ থেকে তাঁকে বিদায় নিতে হয়েছে।
যুদ্ধাপরাধের দায়ে ৪ জনের ফাঁসি রায় কার্যকর হয়েছে। অচিরেই বাকী সকল যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসিতে ঝুলানো হবে। রবিবার পূর্ব লন্ডনের আমানা সেন্টারে যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ আয়োজিত সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান এমপি এসব মন্তব্য করেন।
১৯৮১ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর থেকে ৭১ ও ৭৫ এর পরাজিত খুনীর দল বারবার তাঁর প্রাণ নাশের চেষ্টা চালিয়েছে।
সর্বশেষ ২০০১ সালে ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় ২৩ জন নেতাকর্মীর রক্তের বিনিময়ে রক্ষা পেয়েছিলেন তিনি। হাস্যকর ভাবে বিএনপি জামায়াত সন্ত্রাসী জোট সে সময় বলেছিল শেখ হাসিনা বেগে করে গ্রেনেড নিয়ে এসেছিলেন।
২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচনে আপনারা দেখেছেন কিভাবে খুন আর সন্ত্রাসের উৎসবে মেতেছিল জামায়াত বিএনপি। ২০১৫ সালে এসে একই অবস্থার সৃষ্টি করেছিল। হাজার হাজার গাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে। জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ, পুলিশ বিজিবির সদস্যদের। খালেদাজিয়ার ঘোষিত অবরোধ কি তিনি প্রত্যাহার করেছেন, প্রশ্ন রাখেন নেতাকর্মীদের প্রতি। দেশের মানুষ তার অবরোধ কে অকার্যকর করে দিয়েছে। পরাজিত হয়ে ঘরে ফিরে গিয়েছেন খালেদাজিয়া। পৃথিবীর ইতিহাসে সন্ত্রাসীরা কখনো বিজয়ী হতে পারেনি। এমন ইতিহাস নেই। যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে খালেদা জিয়া বার বার বিভিন্ন সভা সমাবেশ বারবার বলেছেন, নিজামী, সাইদী, মোজাহিদ, সাকা চৌধুরী যুদ্ধাপরাধী নন। খালেদা জিয়া বার বার মিথ্যা কথা বলেন, এমনকি তিনি তার জন্ম তারিখ নিয়েও মিথ্যা কথা বলেছেন। আর এজন্য মানুষ বলে, খালেদা জিয়ার দুই গুন মিথ্যাচার আর মানুষ খুন।
যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরিফের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নঈম উদ্দিন রিয়াজের পরিচালনায় সভায় যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগে, যুব মহিলা লীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
শাহাজাহান খান তার বক্তব্যে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির ব্যাপারে বলেন, সাকা চৌধুরী ও মোজাহিদের রায় কার্যকর করার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ আরেক ধাপ পাপ মুক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যখন জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ি। তখন আমাদের ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছে। ২লাখ মা-বোনের সবচেয়ে মূল্যবান ইজ্জ্ব দিতে হয়েছে। পাকিস্তানীদের সহায়তা করেছে জামায়াতে ইসলামী, আলবধররা। পিতৃহারা সেই সন্তানদের, মা-বোনকে যদি বলা হয় ক্ষমা করেও দাও তাহলে কি তারা ক্ষমা করে দিবে। তিনি বলেন, একে একে ৪জনকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে। বাকীদের ফাঁসিতে ঝুলানো হবে। এদের সাথে কোন আপোষের সুযোগ নেই। মন্ত্রী সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের বর্ণনা দেয়ার পাশাপাশি নৌ পরিবহন মন্ত্রাণালয়ে যে যুগান্তকারী উন্নয়ন সাধিত হয়েছে সেসব নিয়ে ও আলোচনা করেন। shahajahn mp 2

Share This Post

Post Comment