২২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিসিএ‘র কারি এওয়ার্ড

award-2015ব্রিকলেন রিপোর্ট: কারি শিল্পের জমজমাট নান্দনিক আয়োজন বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন (বিসিএ) এর বার্ষিক এওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২২ নভেম্বর রোববার। সেন্ট্রাল লন্ডনের পার্ক প্লাজা হোটেলের বলরুমে চলতি বছর উদযাপন করা হবে দশম কারি এওয়ার্ড। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার হাউজ অব কমন্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিসিএ এওয়ার্ড অনুষ্ঠানের প্রেস লঞ্চিং। রিজেন্টপার্ক ও কেঞ্জিংটন নর্থের এমপি কারেন বাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রেস লাঞ্চিংয়ে শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিসিএ প্রেসিডেন্ট পাশা খন্দকার। চ্যানেল এস টেলিভিশনের জনপ্রিয় প্রেজেন্টার ফারহান মাসুদ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিসিএ‘র প্রেস এন্ড পাবলিকেশনস সেক্রেটারী আনিছুল হক চৌধুরী। অনুষ্ঠানে কারী ইন্ডাস্ট্রির সমস্যা সমাধানের পক্ষে বক্তব্য রাখেন হোম অফিস মিনিস্টার মাইক পেনিং এমপি, অল পার্টি পার্লামেন্টারী গ্রুপের চেয়ার পল স্কেলী এমপি, এ্যান মেইন এমপি, বেরোনেস সাস সাহেন, বেথনালগ্রীন এন্ড বো আসনের এমপি রোশনারা আলী, ইলিং সেন্ট্রালের এমপি ড. রুপা হক, হ্যামস্টেড এন্ড কিলবার্নের এমপি টিউলিপ সিদ্দিক, বৃটেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান, বিসিএ‘র সাবেক প্রেসিডেন্ট বজলুর রশীদ এমবিই, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কামাল ইয়াকুব, সেক্রেটারী জেনারেল এম এ মুনিম, সাংগঠনিক সেক্রেটারী ফজল উদ্দিন। এ সময় বিসিএ নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মুজাহিদ আলী চৌধুরী, ওলি খান, এনাম চৌধুরী, মিঠু চৌধুরী টিপু রহমান, সৈয়দ হাসান, গয়াস মিয়া, ফরহাদ হোসেন টিপু প্রমুখ।

চলতি বছর তিনটি ক্যাটাগরিতে প্রদান করা হবে বিসিএ এওয়ার্ড। এর মধ্যে রয়েছে, বিসিএ শেফ অব দ্যা ইয়ার, বিসিএ রেস্টুরেন্ট অব দ্যা ইয়ার এবং বিসিএ অনার অব দ্যা ইয়ার এওয়ার্ড। অনুষ্ঠানে বৃটেনের বিভিন্ন সেক্টরের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিবর্গ, সেলিব্রেটি, রাজনীতিবিদ, মিডিয়া প্রতিনিধি এবং কারী শিল্পের সফল ব্যক্তিরা অংশ নেবেন। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় থাকবেন সেলিব্রেটি প্রেজেন্টার তাসনিম লুসিয়া খান এবং মাষ্টার শেফ অনুষ্ঠানের সঞ্চালক বিখ্যাত গ্রেগ ওয়ালেছ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত এমপিবৃন্দ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন, তারা কারী শিল্পকে রক্ষায় সত্যিকারের ডায়লগে অংশ নিবেন। সরকারকে একটি বাস্তবমুখি পরিকল্পনা নিয়ে আসতে বাধ্য করার অঙ্গিকার করেন তারা।
স্বাগত বক্তব্যে বিসিএ প্রেসিডেন্ট পাশা খন্দকার বলেন, বিসিএ শুধুমাত্র বার্ষিক এওয়ার্ড অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ নয়। এই এওয়ার্ড অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বৃটেনের নীতি নির্ধারকদের সামনে কারী শিল্পের বিরাজমান সংকট মোকাবেলায় কার্যকরী পদক্ষেপের ব্যাপারেও প্রস্তাবনা উখতাপন করতে চায়। কারী শিল্পের সমস্যা, স্টাফ সংকট নিরসনে অল পার্টি পার্লামেন্টারী গ্রুপ এবং পার্লামেন্টারীয়ানদের নীরব ভূমিকা ও ধারাবাহিক আশ্বাস প্রদানের সমালোচনা করেন পাশা খন্দকার।
বিসিএ‘র সেক্রেটারী জেনারেল এম এ মুনিম বলেন, এওয়ার্ড অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র আমরা ডিনার উপভোগ করিনা। বরং এই শিল্পের নানা সমস্যা ও সম্ভাবনার চিত্র আমরা তুলে ধরি। কারী শিল্পের সংকট সমাধানে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান তিনি।
এর আগে হাউজ অব কমন্সের অপর একটি কক্ষে বিসিএ রেস্টুরেন্ট অব দ্যা ইয়ার এওয়ার্ড কমিটির প্রধান অলি খান, জয়েন্ট কনভেনার ফজল উদ্দিন ও বিচারক মন্ডলীর প্রধান পল স্কেলী এমপিসহ বিচারকরা বৃটেনের বিভিন্ন স্থান থেকে বাছাই করা রেস্টুরেন্টের কয়েক হাজার নমিনেশন পর্যবেক্ষণ করেন।

Share This Post

Post Comment