সুশান্ত’কে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত পুরকায়স্থ’র অভিনন্দন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটিতে সদস্য পদে স্থান পাওয়ায় প্রকৌশলী সুশান্ত দাস গুপ্ত’কে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু সুব্রত পুরকায়স্থ এক বার্তায় অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এক বার্তায় তিনি সুশান্ত’কে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা, মাদার অব হিউম্যানিটি, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক জননেতা জনাব ওবায়দুল কাদের এমপি সাহেবকে কৃতজ্ঞতা জানান।
তাছাড়া তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপ-কমিটির সম্মানিত চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী জনাব ফখরুল ইসলাম মুন্সি এবং সদস্য সচিব ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক বাবু শ্রী সুজিত রায় নন্দীকে ও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

লন্ডন প্রবাসী সুশান্ত দাস গুপ্তের জন্ম ১৯৭৭ সালে। পড়াশুনা করেছেন হবিগঞ্জের সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, বৃন্দাবন সরকারী কলেজ এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এরপর যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ইস্ট লন্ডনে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ মাস্টার্স করেছেন। সুশান্ত দাস গুপ্ত যুক্তরাজ্য ভিত্তিক একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টেকশেড লিঃ এর প্রধান নির্বাহী পরিচালক এবং কম্পিউটার ফরেন্সিক এক্সপার্ট লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। লন্ডন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ যুক্তরাজ্যের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সুশান্ত, এছাড়া ব্যবসায়ী সংগঠন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)-এর সহ-সভাপতি তিনি।

২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের মেয়াদে নতুন এ উপ-কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন এ এফ এম ফখরুল ইসলাম মুন্সি এবং সদস্য সচিব হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী। তুলনামূলক তরুণ ও ক্লিন ইমেজের নেতাকর্মীরাই ঠাঁই পেয়েছেন এই কমিটিতে।

উল্লেখ্য ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত সুশান্ত দাস গুপ্ত ২০০১ সালের নির্বাচন পরবর্তী সময়ে, শাহজালাল বিশ্বিবিদ্যালয়ে ছাত্রলীগকে ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে আনতে শক্তিশালী ভূমিকা রাখেন। ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য। বাংলাদেশে ব্লগিং ও অনলাইন এক্টিভিটির শুরু থেকেই তিনি জড়িত। সাড়া বিশ্বের বাংলাদেশি তরুণ প্রজন্মের মাঝে আছে বিশেষ পরিচিতি।

সাম্প্রতিককালে আলোড়ন সৃষ্টিকারী স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংস্থা ” আমারএমপি-র” চেয়ারিম্যান হিসেবে সবার দৃষ্টি কেড়েছেন তিনি।

Share This Post