লন্ডনে আওয়ামী লীগ নেতা সুশান্তকে হত্যার হুমকি দিয়ে চিঠি

ৌৌযুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বহুল আলোচিত নেতা লন্ডন মহানগর আওয়ামী লীগের প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সুশান্ত দাস গুপ্তকে হত্যার হুমকি দিয়ে তার বাসার ঠিকানায় একটি চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে। স্থানীয় ফরেষ্ট গেট পুলিশ স্টেশনে ক্রাইম হিসাবে ঘটনাটি লিপিবদ্ধ করেছে পুলিশ। গতকাল রাতে সুশান্ত দাস গুপ্তের ফেইস বুকের ভেরিফাইড পেইজে তিনি ঘটনাটি উল্লেখ করেন।

তদন্তের জন্য চিঠিটি প্রকাশ না করার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার এন্ডারসন। চিঠিতে সুশান্ত দাস গুপ্তকে নাস্তিক উল্লেখ করে, স্ত্রী , সন্তানদের , কোথায় পড়ে, তাঁর বাসায় শ্যালিকা ও তাঁর স্বামী সহ দেশে পরিবারের পরিজনের পরিচয় দিয়ে লেখা হয় ,‘সময় থাকতে তোর লেখালেখি বন্ধ কর। আর যদি কোনদিন একটা শব্দ ও আমাদের নেতাকে নিয়ে লেখিস তাহলে তোর ও তোর পরিবারের মহাবিপদ আসবে। লন্ডন কিংবা হবিগঞ্জ কোথাও তুই নিরাপদ না। তোর পরিবারের লোক ও না। আশা করি তুই এই চিঠির পাওয়ার পর একটা শব্দ ও লিখবি না আমাদের নেতার বিরুদ্ধ্বে । অন্যথায় যে কোন একজনের লাশ পেয়ে যাবি; আর বাচ্ছাদের প্রতি তোর মায়া আছে তো ! ইশারায় বুঝে নে। ভালো হয়ে যা।’ গত ৬ সেপ্টেম্বর চিঠিটি ডাক যোগে সুশান্ত দাস গুপ্তের বাসার ঠিকানায় পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন সুশান্ত দাস গুপ্ত।

রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে একজন অনলাইন এক্টিভিস্ট ও ব্লগার হিসাবেই বেশী পরিচিত। বাংলাদেশে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরে দ্বিতীয় রাজনৈতিক ব্যাক্তি হিসাবে তাঁর ফেইসবুক ফেইজ ভেরফাইড হয়েছিল। যুদ্ধাপরাধীর বিচার প্রক্রিয়ায় জনমত গঠনে তরুণ প্রজন্মকে উদ্ধুদ্ধ করার কাজের সাথে সম্পৃক্ত দীর্ঘদিন ধরে। আমার ব্লগের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তিনি।

আওয়ামী লীগে জামায়াত শিবির ও বিএনপি থেকে অনুপ্রবেশের প্রতিবাদে অনলাইন ও বিভিন্ন সভা সমিতিতে সোচ্চার দীর্ঘদিন ধরে। এসব নিয়ে দলীয় ভাবে নানারকম হয়রানীর শিকার হয়েছেন তিনি। বর্তমানে সংসদ সদস্যদের সাথে ভোটারদের সরাসরি সংযোগ স্থাপনের জন্য ‘আমার এম পি’ নামক একটি সংস্থার চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন । চিঠির বিষয়ে, সুশান্ত দাস গুপ্ত বলেন, এসব তালিকা বা বেনামে চিঠি এর আগে ও বহুবার পেয়েছি। কিন্তু এবারের বিষয়টি ভিন্ন। পরিবার পরিজন, স্ত্রী সন্তানকে হত্যার হুমকি দেয়াতে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছি এবং পুলিশকে জানিয়েছি।

Share This Post